ব্যাংকগুলো থেকে মিথ্যা তথ্য পায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক

ব্যাংকগুলো থেকে মিথ্যা তথ্য পায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক

নিউজডেস্ক২৪: সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ এবং অনিয়ম উদ্ঘাটনে ২৬৩ ধরনের রিপোর্ট দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে সংগ্রহ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আইনি বাধ্যবাধকতায় ব্যাংকগুলো এসব রিপোর্ট পাঠায়। কিন্তু বাস্তবতার সঙ্গে রিপোর্টগুলোর কোনো মিল থাকে না।

ব্যাংক তার সুবিধার্থে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে অসত্য তথ্য দেয়। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) এক গোলটেবিল আলোচনায় উপস্থাপিত প্রবন্ধে এসব কথা বলা হয়েছে। রাজধানীর মিরপুরে বিআইবিএম অডিটোরিয়ামে ‘কস্টস ফর কমপ্লায়েন্স উইথ রেগুলেশনস ইন ব্যাংকস’ শীর্ষক গোলটেবিলে প্রবন্ধটি উপস্থাপন করেন বিআইবিএমের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

এতে অন্যদের মধ্যে বিআইবিএমের মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. বরকত-এ-খোদা, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ইয়াছিন আলী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

প্রবন্ধে বলা হয়, ব্যাংকের কমপ্লায়েন্স পরিপালনের চাপ ও ব্যয় উভয়ই বাড়ছে। ব্যাংকের কমপ্লায়েন্স পরিপালনে বর্তমানে ১৫টি আইন বা অধ্যাদেশ, ৪৬টি গাইডলাইন, ১০টি রেগুলেশন, ৪৭৮টি প্রজ্ঞাপন আছে। সরকারি-বেসরকারি খাতের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে এ নির্দেশনা পরিপালনে

বছরে গড়ে ২৬৩টি রিপোর্ট দিতে হয়। একই সঙ্গে এ খাতে খরচও বাড়াতে হচ্ছে।

বিআইবিএমের মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী বলেন, ব্যাংক নিয়ম-কানুন মেনে ব্যবসা করে আসছে। অনেকের কমপ্লায়েন্স নিয়ে বক্তব্য দেয়, যা সঠিক নয়। কমপ্লায়েন্সের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না।

মো. ইয়াছিন আলী বলেন, ব্যাংকগুলোর সুদ কমানোর কারণে কমপ্লায়েন্স মেইনটেইন করা কঠিন বলে অভিযোগ করেছে, যা সঠিক নয়। পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা সুদ কমিয়ে ঋণ নিয়েছে। আমানতকারীদের স্বার্থরক্ষায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক হস্তক্ষেপ করে। সবার আগে জনগণের স্বার্থে তাই বাংলাদেশ ব্যাংকের গাইডলাইন সঠিকভাবে পরিপালন করতে হবে।