বাজার ধরতে বহুমুখী পাটপণ্যের প্রসারে গুরুত্বারোপ

বাজার ধরতে বহুমুখী পাটপণ্যের প্রসারে গুরুত্বারোপ

নিউজডেস্ক২৪: বিশ্ববাজারে জায়গা করে নিতে বাংলাদেশের বহুমুখী পাটপণ্যের আরো প্রসার ঘটাতে হবে। এজন্য সরকারের পক্ষ থেকে দেশীয় উদ্যোক্তাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে।

রোববার (৩ মার্চ) রাজধানীতে জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টারে (জেডিপিসি) আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী।

মন্ত্রী বলেন, ঠিকভাবে কাজ করলে ৭০০ কোটি টাকার কেন, আন্তর্জাতিকভাবে ৭ হাজার কোটি টাকার বহুমুখী পাটপণ্যের বাজার তৈরি করা সম্ভব। তিনি জানান, সারা বিশ্ব এখন প্লাস্টিককে বর্জন করছে। ধীরে ধীরে বিশ্বব্যাপী পাটের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। পাট দিয়ে এখন সব ধরনের পণ্য তৈরি হচ্ছে। পাটের বাজার ধরতে হলে বহুমুখী পাটপণ্যের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, পাটপণ্য প্রদর্শনের জন্য স্থায়ীভাবে জায়গা দেয়া গেলে মানুষ বহুমুখী পাটপণ্য সম্পর্কে জানতে পারবে। বাণিজ্য মেলায় প্রদর্শিত বহুমুখী পাটপণ্য দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছি। ঠিকমতো তুলে ধরতে পারলে অন্যরাও এসব পণ্যের বিষয়ে আগ্রহী হবেন। এভাবেই অভ্যন্তরীণ বাজার বাড়বে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে গোলাম দস্তগীর গাজী জানান, পাটপণ্য ভ্যাটমুক্ত রয়েছে। ভবিষ্যতেও যেন থাকে, সে লক্ষ্যে সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাবে।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজানুর রহমান, বহুমুখী পাটপণ্যের উদ্যোক্তা ও জেডিপিসির শীর্ষ কর্মকর্তারা মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন। জেডিপিসির নির্বাহী পরিচালক রীনা পারভীন বলেন, বর্তমানে বহুমুখী পাটপণ্যের স্থানীয় বাজার ১০০ কোটি টাকা। দেশের বাইরে এর ৭০০ কোটি টাকার বাজার রয়েছে। খাতটিতে বর্তমানে উদ্যোক্তার সংখ্যা ৭০০। আর আমরা এখন ২৮০ ধরনের পাটপণ্য তৈরি করছি। পাট থেকে এখন কাগজও তৈরি হচ্ছে। ভিজিটিং কার্ড ও ডায়েরি তৈরিতে পাটের কাগজ ব্যবহূত হচ্ছে, যা নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে।

মতবিনিময় সভা শেষে মন্ত্রী জেডিপিসি সেন্টারে অবস্থিত বহুমুখী পাটপণ্যের বিক্রয়কেন্দ্র ঘুরে দেখেন।