হায়দরাবাদকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠলো চেন্নাই

হায়দরাবাদকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠলো চেন্নাই

নিউজডেস্ক২৪: সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ৬ উইকেট হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলে ফেরে শীর্ষে চলে গেল চেন্নাই সুপার কিংস। সেই সঙ্গে ১১ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে কার্যত প্লে-অফে পৌঁছে গেল তারা। প্রথম সাক্ষাতে সানরাইজার্সের কাছে ৬ উইকেটে হেরেছিল চেন্নাই। এদিন তার শোধ নিলে সিএসকে।

বাইশ গজে ১৭৬ রান তাড়া করতে নেমে চেন্নাই সুপার কিংস শুরুতেই ফ্যাফ ডু’প্লেসির উইকেট হারায়। কিন্তু ওয়াটসনের দুরন্ত ইনিংসে ম্যাচ জিতে নেয় সুপার কিংস। ৫৩ বলে ৯৬ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলে ম্যাচের সেরা ওয়াটসন। ৬ ছক্কা ও ৯টি চার মারেন তিনি। তবে অল্পের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া হয় সিএসকে ওপেনারের। ভুবনেশ্বরের বলে উইকেটের পিছনে দুর্দান্ত ক্যাচ নিয়ে ওয়াটসনকে ডাগ-আউটে ফেরান জনি বেয়ারস্টো।

ওয়াটসন যখন আউট হয়ে ডাগ-আউটে ফেরেন, তখন চেন্নাইয়ের জয় হাতের মুঠোয়। সেখান থেকেও অবশ্য ম্যাচ শেষ ওভার পর্যন্ত টেনে নিয়ে যান আম্বাতি রায়ডু ও কেদার যাদব। শেষ ওভারে ধোনিদের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৯ রান। সন্দীপ শর্মার ওভারের দ্বিতীয় বলেই ছক্কা মেরে জয় নিশ্চিত করেন কেদার। চতুর্থ ডেলিভারিতে রায়ডু আউট হলেও এক বল বাকি থাকতেই ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় চেন্নাই।

এদিন টস জিতে এদিন সানরাইজার্সকে প্রথমে ব্যাটিং করতে পাঠিয়েছিলেন সিএসকে অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। দ্বিতীয় ওভারেই ফর্মে থাকা জনি বেয়ারস্টোয়ের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় সানরাইজার্স। ব্যক্তিগত ০ রানে হরভজন সিংয়ের বলে ডাগ-আউটে ফেরন বেয়ারস্টো। কিন্তু শাহবাজ নাদিমের পরিবর্তে এদিন দলে ঢোকা মনীশ পান্ডে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে চেন্নাইকে পালটা চাপে রাখে। প্রথম বলেই হরভজনকে বাউন্ডারিতে পাঠিয়ে রানের খাতা খোলেন মনীশ। ওয়ার্নারের থেকে অনেক বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন তিনি। মাত্র ২৫ বলে হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মনীশ। আইপিএলে এটি ১৩তম হাফ-সেঞ্চুরি কর্নাটকের এই ডানহাতি'র।

মনীশ ও ওয়ার্নারের সেঞ্চুরি পার্টনারশিপে ১১ ওভারেই সেঞ্চুরির গণ্ডি টপকে যায় হায়দরাবাদ। দ্বিতীয় উইকেটে ১১৫ রান যোগ করে ভাজ্জির শিকার হন ওয়ার্নার। তবে ডাগ-আউটে ফেরার আগে ৪৫ বলে দু’টি ছক্কা ও তিনটি বাউন্ডারির সাহায্যে ৫৭ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।

ওয়ার্নার ডাগ-আউটে ফিরলেও ব্যক্তিগত ৮৩ রানে অপরাজিত থাকেন মনীশ। ৪৯ বলের ইনিংসে তিনটি ছয় ও সাতটি বাউন্ডারি মারেন তিনি। বেশ কয়েকটি ম্যাচ বাইরে থাকার পর এদিন দারুণ প্রত্যাবর্তন করেন মনীশ। তবে ওয়ার্নার আউট হওয়ার পর ২০ বলে ২৬ রান করেন বিজয় শংকর৷ তবে ১১তম ওভারে শতরানের গণ্ডি টপকানোর পর দু’শোর গণ্ডি টপকানোর সম্ভাবনা ছিল সানরাইজার্সের৷। কিন্তু শেষ দিকে সিএসকে বোলাররা ভালো বোলিং করায় ১৭৫ রানে থেমে যায় হায়দরাবাদ।

রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন ওয়াটসন। ৯৬ রানের ইনিংস খেলে টি-২০ ক্রিকেটে এদিন ৮ হাজার রানের গণ্ডি টপকে যান তিনি। কিন্তু তৃতীয় ওভারে ডু’প্লেসি রান-আউট হয়ে ডাগ-আউটে ফিরলেও ওয়াটসন ও সুরেশ রায়নার ব্যাটে ম্যাচে জাঁকিয়ে বসে সিএসকে। সন্দীপ শর্মার

এক ওভারে পাঁচটি বাউন্ডারি মারেন রায়না। ২৪ বলে ৩৮ রান করে রশিদ খানের বলে ডাগ-আউটে ফেরেন রায়না। চেন্নাইের কাছে হেরে ১০ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে থাকল সানরাইজার্স।