খালেদা জিয়া রাজনীতির জন্য হুমকি: হাছান মাহমুদ

খালেদা জিয়া রাজনীতির জন্য হুমকি: হাছান মাহমুদ

নিউজডেস্ক২৪: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া রাজনীতির জন্য হুমকিস্বরূপ বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। আজ বুধবার (১০ জুলাই) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রাজনীতি হলো জনগণের কল্যাণের জন্য, জনগণকে কষ্ট দেওয়ার জন্য নয়। অথচ রাজনীতির কথা বলে তারা (বিএনপি) দিনের পর দিন অবরোধ ডেকে মানুষকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে। পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে শত শত মানুষকে আগুনে ঝলসে দিয়েছে।’

‘খালেদার মুক্তি ছাড়া গণতন্ত্র অচল’ বিএনপির এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক বলেন, ‘গতকালও সংসদীয় কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। সেখানে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা সংখ্যায় কম হলেও তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে স্থান দেওয়া হয়েছে। উল্লেখিত সদস্যরা সরকার দলীয় সদস্যদের তুলনায় সংসদে কথা বলার জন্য বেশি সময় দেওয়া হয়েছে। তারা এখন অনেক বেশি সময় নিয়ে সংসদে কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি সমালোচনা পথ চলাকে শাণিত করে। সমালোচনা দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যেতে সহায়তা করে। আর দায়িত্বে থাকলে পৃথিবীর কোনো সরকার শতভাগ নির্ভুল কাজ করতে পারেনি। ভবিষ্যতেও কোনো সরকার পারবে না। এজন্য আমরা সমালোচনাকে সমাদৃত করি এবং যুক্তি ও তর্কের মাধ্যমে সরকার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিশ্বাস করে। যেটিতে খালেদা জিয়া বিশ্বাস করে না।’

এ সময় ‘সরকার দলীয় লোকজন জনগণের টাকা নিয়ে যাচ্ছে’ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে আয়নায় নিজের চেহারা দেখতে বলেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিলেন দেশ পরপর পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। তাই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বলবো; আয়নায় নিজের চেহারা দেখার জন্য। যে কথাগুলো আপনি বলেছেন, তা আসলে আপনাদের বেলায় প্রযোজ্য।’

মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘তাই যদি হতো তাহলে গত ১০ বছরে বাংলাদেশের প্রায় দেড় কোটি মানুষ নিম্ন মধ্যবিত্ত থেকে মধ্যবিত্তে উন্নীত হতো না। দারিদ্র্য ৪১ শতাংশ থেকে কমে ২০ শতাংশে নেমে এসেছে এবং বাংলাদেশ নিম্ন আয়ের দেশ থেকে মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। স্বল্প উন্নত থেকে উন্নয়শীল দেশ হয়েছে। আসলে এই যে উন্নয়ন, যারা আমাদের বিরুদ্ধে রাজনীতি করে তাদের ব্যর্থতা। কারণ তারা উন্নয়ন করতে ব্যর্থ হয়েছেন।’