খালেদা জিয়ার মুক্তি রাজপথে- ফখরুল

খালেদা জিয়ার মুক্তি রাজপথে- ফখরুল

নিউজডেস্ক২৪: দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তিতে সরকার একমাত্র বাধা বলে মনে করছেন দলটির নেতারা। তাই সরকার পতনে সারাদেশে রাজপথ রুদ্ধ করে দৃঢ় শপথ নিয়ে জোরদার আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বেলা সাড়ে ১১ টায় বিএনপি আয়োজিত বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। সামনে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলে এই জালেম সরকারকে পরাজিত করতে হবে।

খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার দাবি করে তিনি বলেন, তিনি অত্যন্ত অসুস্থ। তার ডায়াবেটিস বেড়ে গেছে, গায়ের ব্যথা বেড়ে গেছে, তিনি কারও সাহায্য ছাড়া হাঁটতে পারেন না, চলতে পারেন না। হুইল চেয়ারে চলছেন। কিন্তু এই সরকার, তার কর্মকর্তারা এবং ডাক্তাররা বলছেন তিনি নাকি সুস্থ হয়েছেন। অসুস্থ অবস্থায় তিনি কারারুদ্ধ দিন পার করছেন। আমরা তার সুচিকিৎসার জন্য মুক্তি দাবি করছি।

জনগণের প্রতি আহবান জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, আসুন, আজকে নিজেদের অধিকার, ভোটের অধিকার, কথা বলার অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য এই সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াই। তাদেরকে হটিয়ে একটা জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করি।

স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে দুটি মিথ্যা মামলায় বন্দি রাখা হয়েছে। আজকে দেড় সপ্তাহ থেকে দেড় বছর হতে চললো, তিনি জেলখানায়। রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে আদালতে বিচারকরা মুক্ত মনে কাজ করতে পারছে না। আর এ কারণের আইনি প্রক্রিয়ার তাকে মুক্ত করা যাচ্ছে না। আমরা আইনি এই লড়াই চালিয়ে যাবো। আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে সারা বাংলাদেশে আন্দোলনের পথ বেচে নিতে হবে। এজন্য কর্মসূচী দিতে হবে। তিনি আরো বলেন একমাত্র রাজপথেই আন্দোলনের মাধ্যমে বেগম জিয়ার মুক্তি আমরা অর্জন করতে পারি।

স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন,আমাদের মনে হয় বেশী দিন মানববন্ধন চলবে না। আমাদেরকে দানবব্বন্ধন কর্মসূচি দিতে হবে। রাজনীতিবিদদের আদালত আনুষ্টানিকতা মাত্র। খালেদা জিয়ার মতো নেত্রীর মুক্তি আন্দোলনের উপর নির্ভর করা তার জন্য অপেক্ষা করা অসম্মানজনক।

তিনি বলেন, যে আদালত নিজে চলতে পারে না, যে আদালত নিজের চিন্তা ভাবনা প্রয়োগ করেতে পারে না, যে আদালত প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাহিরে এক কদম হাঁটতে পারে না। সে আদালতের উপর নির্ভরশীলতা আর খালেদা জিয়াকে আদালতে রাখা একি কথা।

তিনি বলেন, আমরা যদি মনে করি বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তিতে সরকার একমাত্র বাধা তাহলে সরকারের পতনের আন্দোলনেই আগে করবো। তারপর খালেদা জিয়া স্বাভাবিকভাবেই মুক্ত হয়ে আসবেন।