হবুচন্দ্র রাজা ও গবুচন্দ্র মন্ত্রীর মধ্যকার খেজুরে আলাপ

হবুচন্দ্র রাজা ও গবুচন্দ্র মন্ত্রীর মধ্যকার খেজুরে আলাপ

নিউজডেস্ক২৪: রাজা : প্রাইমারী মাষ্টারদের পদোন্নতির খবর কি?
মন্ত্রী : এদেরতো পদই নাই আবার উন্নতি মহারাজ !

রাজা : তাই বলো! কিন্তু গত দশ বছর ধরে এরা 
পদোন্নতি পদোন্নতি করছে কেন?
মন্তী : এদেরতো সেকেন্ড কেলাশের মুলা ঝুলাইছি তাই 
বড্ড ফাল পাড়তাছে।

রাজা : উন্নয়ন খাতের মাষ্টারেরা দরবারে মামলা দিয়া 
জিত্তাগেল তার কি হলো?
মন্ত্রী : চিন্তা কইরেন না হুজুর। ওটা under process 
এর ভেলকি বাজিতে ফেলাইয়া দিছি। 
ওদেরকে প্রধান, সহকারী, সরাসরি, নব্য, 
পদোন্নতি ভাগে ভাগ করে দিয়েছি। ওরা এখন 
নেতা নেতা খেলছে। তাই সব কিছু হিমাগারে। 
আমরা সোজা করা লাগবেনা ওরা নিজেরাই 
সাইজ হয়ে যাবে। প্রধান শিক্ষক, সহকারি 
শিক্ষক ডজন খানেক সমিতির লেজে 
পলিথিন বেঁধে দিয়েছি হুজুর!

রাজা : তোমার এতো বুদ্ধি! আচ্ছা প্রধান শিক্ষক ছাড়া 
স্কুল চলে ক্যামনে?
মন্ত্রী : আল্লাহ চালায়।

রাজা : আচ্ছা ওদের কেউ কেউ নাকি ৩০/৩৫ বছর 
চাকুরী করেও প্রধান শিক্ষক না হতে পেরে 
মারাও গেছে।
মন্ত্রী : আল্লার মাল আল্লায় নিয়া গেছে আমরা করবো 
কি হুজুর?

রাজা : আচ্ছা ওদের প্রধান শিক্ষকের কাগজপত্র 
ফাইল চালাচালি এগুলোর কি হবে?
মন্ত্রী : কেন হুজুর চীনা বাদামের ঠোঙ্গা তৈরীতে 
ব্যবহার হবে!

রাজা : তবে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষার কি হবে?
মন্ত্রী : কেন মহারাজ? আমরা আছিনা? রাতদিনতো 
আমরা কাজ করেই চলেছি। সিংগাপুর, 
ব্যাংকক, মালয়েশিয়া, চীন, আমেরিকা, বৃটেন 
সহ সারা জাহানে আমরা ঘুরে বেড়াচ্ছি তো 
মানসম্মত শিক্ষার জন্য।

রাজা : তোমার কাছে কি খাঁটি সরিষার তেল আছে? 
দাও তা হলে এবার আমি নাকে লাগিয়ে ঘুমাই!! 
মন্ত্রী : রাজা মশাইর জয় হউক। এবার নতুন প্যাঁচ 
লাগাইতেছি হুজুর। চলতি দায়িত্ব দিয়া প্রধান 
শিক্ষক হওনের খায়েশ মিটাই দিমু। নিয়োগ 
বিধি উল্টাই দিমু ব্যাটারা যাবে কই!! আপনি 
ঘু..মা..ন..!!!

(সংগৃহীত ও ঈষৎ পরিমার্জিত -- মোশারফ চৌধুরী।)