রাশিয়ার সবচেয়ে বড় সামরিক মহড়া

রাশিয়ার সবচেয়ে বড় সামরিক মহড়া

নিউজডেস্ক২৪: আগামী সেপ্টেম্বর মাসে তিন লাখ সেনার অংশগ্রহণে সবচেয়ে বৃহৎ সামরিক মহড়া শুরু করতে যাচ্ছে রাশিয়া। স্নায়ু যুদ্ধের পর এত বিশাল সংখ্যক সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে সামরিক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়নি বলে মঙ্গলবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সার্গেই শোইগু বলেছেন, চীন ও মঙ্গোলিয়ার সেনারাও এই সামরিক মহড়ায় অংশ নেবে। রাশিয়ার মধ্য ও পূর্বাঞ্চলের সামরিক অঞ্চলে এই মহড়া অনুষ্ঠিত হবে।

১৯৮১ সালে ন্যাটোর ওপর হামলা চালানোর প্রশিক্ষণ হিসেবে সোভিয়েত বাহিনী বিশাল সামরিক মহড়ার আয়োজন করেছিল। তার সঙ্গে তুলনা করে এই মহড়ার নাম দেয়া হয়েছে ‘ভসতক ২০১৮’।

গত বছর পশ্চিমাঞ্চলে রাশিয়া-বেলারুশ ছোট আকারের সামরিক মহড়ার আয়োজন করে।

ন্যাটোর সঙ্গে উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে রাশিয়া সামরিক প্রশিক্ষণ জোরদার করেছে। ২০১৪ সালে ইউক্রেনে রুশ সামরিক হস্তক্ষেপের কারণ পশ্চিমা দেশগুলো নিষেধাজ্ঞা জারি করে এবং রুশ সীমান্তে ন্যাটোর উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে।   

শোইগু বলেছেন, ‘ভসতক-২০১৮ সামরিক মহড়ায় ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এতে ৩৬ হাজার সাঁজোয়া যান এবং এক হাজারের বেশি যুদ্ধবিমান অংশ নেবে। প্যারাট্রুপস ও নর্দান ফ্লিট ন্যাভাল ফোর্সেসও মহড়ায় অংশ নেবে। রাশিয়ায় সশস্ত্র বাহিনীতে মোট ১০ লাখ সক্রিয়া সেনা রয়েছে। আর রিজার্ভে আছে ২৫ লাখের বেশি সেনা।  

বড় দুটি বিশ্ব যুদ্ধে যে পরিমাণ সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল এই সামরিক মহড়ায় সমপরিমাণ সেনা অংশ নিচ্ছে।

নতুন পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রসহ সামরিক খাত আধুনিকায়নে জোর দিচ্ছে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।